রাজশাহী মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ও আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। একই অভিযানে জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া গ্রামের সিল্কসিটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ জয়কে (২৬) গ্রেফতার করে। তিনি খিরশিন টিকর গ্রামের মোঃ রাজু ইসলামের ছেলে এবং বর্তমানে বড় বনগ্রাম মাস্টারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। তার কাছ থেকে ৪২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ৩৩০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তার বিরুদ্ধে ডিএমপির দারুস সালাম থানায় একটি মাদক মামলা এবং আরএমপির বিভিন্ন থানায় মাদক আইনে তিনটি ও পেনাল কোডে একটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় বিভিন্ন সময়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দামকুড়া থানার মুরারীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোঃ কাবিল (৩৬) নামে একজনকে গ্রেফতার করে কাশিয়াডাঙ্গা থানার পশ্চিম বালিয়া গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে। তার কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে ২১ আগস্ট রাত পৌনে ২টার দিকে মতিহার থানার ডাঁশমারী মধ্যপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে শিমুল (২৩), রিয়াজ উদ্দিন (২৮), নাসির (২৮), সজল (২৫) ও সাইদুর রহমানকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ২ হাজার ৯০ টাকা, মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন এবং জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার শিমুলের বিরুদ্ধে পেনাল কোডে একটি, রিয়াজের বিরুদ্ধে মাদক আইনে দুটি, নাসিরের বিরুদ্ধে একটি এবং সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
এছাড়া ২০ আগস্ট সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে দামকুড়া থানা পুলিশ বেড়পাড়া এলাকার মুক্তারের মুদির দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে নাসিম ওরফে কালুকে (৩৫) গ্রেফতার ককরা হয়েছে। তার কাছ থেকে ভারতীয় নেশাজাতীয় ৫ বোতল ইৎড়হপড়ভ-ঈ সিরাপ জব্দ করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোনাইকান্দি গ্রামের মোঃ আইনাল (৩৬) ও বেড়পাড়া গ্রামের মোঃ সুমন হোসেন (৩২) পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। নাসিম ওরফে কালুর বিরুদ্ধে দামকুড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধেও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া গ্রামের সিল্কসিটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ জয়কে (২৬) গ্রেফতার করে। তিনি খিরশিন টিকর গ্রামের মোঃ রাজু ইসলামের ছেলে এবং বর্তমানে বড় বনগ্রাম মাস্টারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। তার কাছ থেকে ৪২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ৩৩০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তার বিরুদ্ধে ডিএমপির দারুস সালাম থানায় একটি মাদক মামলা এবং আরএমপির বিভিন্ন থানায় মাদক আইনে তিনটি ও পেনাল কোডে একটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় বিভিন্ন সময়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দামকুড়া থানার মুরারীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোঃ কাবিল (৩৬) নামে একজনকে গ্রেফতার করে কাশিয়াডাঙ্গা থানার পশ্চিম বালিয়া গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে। তার কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে ২১ আগস্ট রাত পৌনে ২টার দিকে মতিহার থানার ডাঁশমারী মধ্যপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে শিমুল (২৩), রিয়াজ উদ্দিন (২৮), নাসির (২৮), সজল (২৫) ও সাইদুর রহমানকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ২ হাজার ৯০ টাকা, মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন এবং জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার শিমুলের বিরুদ্ধে পেনাল কোডে একটি, রিয়াজের বিরুদ্ধে মাদক আইনে দুটি, নাসিরের বিরুদ্ধে একটি এবং সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
এছাড়া ২০ আগস্ট সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে দামকুড়া থানা পুলিশ বেড়পাড়া এলাকার মুক্তারের মুদির দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে নাসিম ওরফে কালুকে (৩৫) গ্রেফতার ককরা হয়েছে। তার কাছ থেকে ভারতীয় নেশাজাতীয় ৫ বোতল ইৎড়হপড়ভ-ঈ সিরাপ জব্দ করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোনাইকান্দি গ্রামের মোঃ আইনাল (৩৬) ও বেড়পাড়া গ্রামের মোঃ সুমন হোসেন (৩২) পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। নাসিম ওরফে কালুর বিরুদ্ধে দামকুড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধেও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :